#605030
✓ যাচাইকৃত ও প্রকাশিত
❌ ফেরত দেওয়া হয়নি
Dhaka/Chattogram/Rajshahi/Khulna City Corporations & Municipalities
প্রকাশের তারিখ
September 16, 2026
দাবিকৃত ঘুষ
৳২৫ কোটি টাকা
অবস্থা: paid
ভৌগোলিক অবস্থান
চট্টগ্রাম
দেশ: Bangladesh
Incident Description
বছরে ২৫০ কোটি টাকার ঘুষের অভিযোগ—সব অবৈধ সম্পদের উৎস খুঁজে বের করার দাবি।
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী মো. আনিছুর রহমানকে ঘিরে অভিযোগ আরও ভয়াবহ। অভিযোগকারীদের দাবি, বিভিন্ন প্রকল্প, ঠিকাদারি কাজ, ফাইল অনুমোদন ও বিল ছাড়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কথিত ঘুষের লেনদেনের পরিমাণ বছরে প্রায় ২৫০ কোটি টাকা পর্যন্ত হতে পারে। এই বিপুল অঙ্কের অভিযোগ সত্য কি না, তা নির্ধারণে প্রয়োজন স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত।
শুধু ঘুষের অভিযোগ নয়—সম্পদের উৎসও তদন্ত হোক।
যদি বছরে শতকোটি টাকার ঘুষের অভিযোগ ওঠে, তাহলে শুধু কোন ফাইলে কত টাকা চাওয়া হয়েছে সেটি তদন্ত করলেই যথেষ্ট নয়। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বৈধ আয়, স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, জমি-ফ্ল্যাট, ব্যবসায়িক স্বার্থ, ব্যাংক ও আর্থিক লেনদেন এবং আইন অনুযায়ী তদন্তযোগ্য অন্যান্য সম্পদের উৎস পরীক্ষা করে দেখা প্রয়োজন।
একই সঙ্গে তদন্তে আইনসম্মতভাবে যাচাই করা প্রয়োজন—ঘোষিত ও বৈধ আয়ের সঙ্গে অর্জিত সম্পদের সামঞ্জস্য রয়েছে কি না এবং কোনো সম্পদ দুর্নীতির অর্থে অর্জিত হয়েছে কি না।
💰 ঘুষের টাকা কোথায় গেছে—এত বিপুল অর্থ কোথায় গেল?
ঘুষের অর্থ কি নগদে রাখা হয়েছে? কোনো সম্পদ কেনায় ব্যবহৃত হয়েছে? অন্য কারও মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছে? নাকি কোনো বৃহত্তর চক্র এর সুবিধাভোগী?
এসব প্রশ্নের উত্তর অনুমান বা জনরোষ দিয়ে নয়—নথি, আর্থিক প্রমাণ এবং আইনসম্মত তদন্তের মাধ্যমে বের করতে হবে।
২৫০ কোটি টাকার অভিযোগ হলে ২৫০ কোটি টাকারই হিসাব চাই।
ঘুষের উৎস খুঁজুন • অর্থের গতিপথ অনুসন্ধান করুন • অবৈধ সম্পদ প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নিন • জনগণের অর্থ জনগণের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করুন।
Ghushkhor.com-এর অবস্থান: কাউকে অভিযোগের ভিত্তিতে দোষী ঘোষণা নয়। কিন্তু গুরুতর ও সুনির্দিষ্ট দুর্নীতির অভিযোগ থাকলে তা ধামাচাপা নয়—প্রমাণভিত্তিক তদন্ত, সম্পদের উৎস যাচাই এবং প্রমাণিত দুর্নীতির পূর্ণ জবাবদিহিতা চাই।
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী মো. আনিছুর রহমানকে ঘিরে অভিযোগ আরও ভয়াবহ। অভিযোগকারীদের দাবি, বিভিন্ন প্রকল্প, ঠিকাদারি কাজ, ফাইল অনুমোদন ও বিল ছাড়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কথিত ঘুষের লেনদেনের পরিমাণ বছরে প্রায় ২৫০ কোটি টাকা পর্যন্ত হতে পারে। এই বিপুল অঙ্কের অভিযোগ সত্য কি না, তা নির্ধারণে প্রয়োজন স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত।
শুধু ঘুষের অভিযোগ নয়—সম্পদের উৎসও তদন্ত হোক।
যদি বছরে শতকোটি টাকার ঘুষের অভিযোগ ওঠে, তাহলে শুধু কোন ফাইলে কত টাকা চাওয়া হয়েছে সেটি তদন্ত করলেই যথেষ্ট নয়। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বৈধ আয়, স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, জমি-ফ্ল্যাট, ব্যবসায়িক স্বার্থ, ব্যাংক ও আর্থিক লেনদেন এবং আইন অনুযায়ী তদন্তযোগ্য অন্যান্য সম্পদের উৎস পরীক্ষা করে দেখা প্রয়োজন।
একই সঙ্গে তদন্তে আইনসম্মতভাবে যাচাই করা প্রয়োজন—ঘোষিত ও বৈধ আয়ের সঙ্গে অর্জিত সম্পদের সামঞ্জস্য রয়েছে কি না এবং কোনো সম্পদ দুর্নীতির অর্থে অর্জিত হয়েছে কি না।
💰 ঘুষের টাকা কোথায় গেছে—এত বিপুল অর্থ কোথায় গেল?
ঘুষের অর্থ কি নগদে রাখা হয়েছে? কোনো সম্পদ কেনায় ব্যবহৃত হয়েছে? অন্য কারও মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছে? নাকি কোনো বৃহত্তর চক্র এর সুবিধাভোগী?
এসব প্রশ্নের উত্তর অনুমান বা জনরোষ দিয়ে নয়—নথি, আর্থিক প্রমাণ এবং আইনসম্মত তদন্তের মাধ্যমে বের করতে হবে।
২৫০ কোটি টাকার অভিযোগ হলে ২৫০ কোটি টাকারই হিসাব চাই।
ঘুষের উৎস খুঁজুন • অর্থের গতিপথ অনুসন্ধান করুন • অবৈধ সম্পদ প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নিন • জনগণের অর্থ জনগণের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করুন।
Ghushkhor.com-এর অবস্থান: কাউকে অভিযোগের ভিত্তিতে দোষী ঘোষণা নয়। কিন্তু গুরুতর ও সুনির্দিষ্ট দুর্নীতির অভিযোগ থাকলে তা ধামাচাপা নয়—প্রমাণভিত্তিক তদন্ত, সম্পদের উৎস যাচাই এবং প্রমাণিত দুর্নীতির পূর্ণ জবাবদিহিতা চাই।